(Amazon) অ্যামাজন জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়।


হ্যালো বন্ধুরা এটা সত্যিই অবাক করার মত বিষয় যে বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে মানুষ মঙ্গল গ্রহে গিয়ে বসবাস করার চিন্তা করছে। অথচ তাদের অবস্থিত একটি জঙ্গল সম্পর্কেও তারা খুব বেশি রিসার্চ করতে পারছে না। একবারও কি কল্পনা করে দেখেছেন কেন তারা অ্যামাজন জঙ্গল নিয়ে খুব বেশি রিসার্চ করে না। বিগত কিছু বছরে অ্যামাজন নিয়ে বেশকিছু রিসার্চে এমন কিছু তথ্য উঠে এসেছে যা দেখলে যেকেউ অবাক হতে বাধ্য। আজকে আমি আমার এই পোস্টে জানাবো অ্যামাজন জঙ্গলে খুঁজে পাওয়া এমন কিছু অবিশ্বাস্য জিনিস যা দেখলে আপনার নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে। এবং এগুলো দেখার পরে আপনাদের মনে হতে পারে যে এই জঙ্গল হয়তোবা মঙ্গল গ্রহের থেকে দূরবর্তী কোন গ্রহ। অ্যামাজন জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয়

দ্যা বিজার পোটো। অ্যামাজন জঙ্গল


দ্যা বিজার পোটো। তারপর ভালো করে দ্যা বিজার পোটোর দিকে লক্ষ্য করে দেখুন দেখে যেন মনে হয় কেউ আর্ট করে এই চোখ প্যাঁচার উপরে বসিয়ে দিয়েছে। এটা দেখতে পুরোপুরি ফেক মনে হয় । আমাদের পৃথিবীতে এই ধরনের প্যাঁচা খুবই কম পরিমাণে রয়েছে। মাঝে মাঝে এই প্রজাতির প্যাঁচাকে পোরাউন্স ও বলা হয়ে থাকে। এটার দুটো চোখ কার্টুনের মত দেখতে এর চেহারা খুবই সুন্দর। অ্যামাজনে এটাকে এত পরিমাণে পাওয়া যায় যে এগুলো পুরো জঙ্গলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। জঙ্গলের যেখানে যাওয়া হোক না কেন সেখানে এই প্রজাতির পেঁচার ডাক শুনতে পাওয়া যায়। Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়।

আরো জানুনঃ শারীরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করার খাদ্য।
 এই প্যাচার অনেক জোরে ডাকতে পারে। আপনারা জানলে অবাক হবেন যে এই প্রজাতির প্যাচার এমন একটি ক্ষমতা রয়েছে যার কারণে খুব সহজেই এই প্যাচা গাছের ডালপালা সাথে মিশে থাকতে পারে।এই ফিচার কারণে বিভিন্ন শিকারি প্রাণী থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে। গাছের ডালপালার সাথে এমনভাবে মিশে থাকবে কেউ বুঝতেই পারবে না যে এখানে তা রয়েছে। তার এই অদ্ভুত ধরনের ঠোট এর কারনে সে খুব ভালো শিকারী।এই পেঁচা অনেক দূর থেকেও তার শিকারকে দেখতে পায়। Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়।

অ্যামাজন ট্রাইব। অ্যামাজন জঙ্গল


ব্রাজিলের আমাজন জঙ্গলে এমন কিছু আদিবাসীদের দেখা যায় যারা কোনদিনও পৃথিবীর বাইরে কেমন কিভাবে চলছে সে সম্পর্কে কোন ধারণা রাখে না। তারা যেন সম্পন্ন একটি ভিন্ন গ্রহে বসবাস করছে। আধুনিক যুগ থেকে তারা কয়েক হাজার বছর পিছিয়ে আছে। আধুনিক মানুষ তাদের সাথে দেখা করার চেষ্টা করলে এরা বেশ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। অ্যামাজনের গভীর জঙ্গলে এই আদিবাসীদের কে দেখা যায়। যদি কোন রিসার্চার হেলিকপ্টার নিয়ে তাদের এলাকায় প্রবেশ করে তবে তারা সেই হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার জন্য নানারকম পদক্ষেপ নেয়।
Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়।Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়। Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়।

আরো জানুনঃ সাদা স্রাব দূর করার উপায়।

Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়। Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় 

যেমন তারা এই ফটোগুলো দেখতে পাচ্ছেন একজন অস্ট্রেলিয়ার রিসার্চার এই উপজাতি নিয়ে গবেষণা করতে এসেছিল আর তারা কিভাবে তাদের নির্মিত অস্ত্র দিয়ে হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার চেষ্টা করেছে। যে আপনারা যা আপনারা এই উড়োজাহাজটি কে দেখলেই বুঝতে পারবেন। আমাদের আধুনিক পৃথিবী সম্পর্কে জানার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই তাদের । আমাদের আধুনিক পৃথিবীর তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর হলেও সেখানে তাদের কিছু যায় আসে না এ নিয়ে তাদের বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নাই । শুধু তাইনা আমাদের চারপাশের অনেক মানুষ এখনও পৃথিবী সম্পর্কে খুবই কম ধারণা রাখে। বিশ্বায়নের এই যুগে কিভাবে প্রতিনিয়ত পৃথিবী বদলে যাচ্ছে কিভাবে পাল্টাতে চাকরি এবং ব্যবসার । Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়।

দ্যা সিস্টিন চ্যাপেল অফ দ্য এনসিয়েন্ট


প্রায় 12 হাজার 500 বছর আগে আটমাইল প্রশস্ত চিত্রকর্ম গুলো পাওয়া গিয়েছে কলম্বিয়ার একটি জঙ্গলে। বরফ যুগের এই চিত্রকর্মটির নাম দ্যা সিস্টিন চ্যাপেল অফ দ্য এনসিয়েন্ট।এই পুরো চিত্রকর্মে      লাল টেরাকোটা রঙের 10 হাজারের মতো বিভিন্ন প্রাণী এবং মানুষের ছবি রয়েছে। শুধু তাই নয় এই চিত্রকর্মগুলোর মধ্যে আইসি আইযে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া প্রগতিশীল বৃহদাকার দাঁতওয়ালা মেন্ডিস টোন, টেলিউলামা, জায়ান্ট গ্রাউন্ড ফ্লোর, বিলুপ্ত ক্যামেলিড, আইসি আইযে হরস।
Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়।

আরো জানুনঃ কেন ছেলেরা মেয়েদের প্রতি আকৃষ্ট হয়

এছাড়াও মাছ, কচ্ছ্প, লাইজার এবং বিভিন্ন পাখির ছবি রয়েছে । ছবিগুলো এতটাই নিখুঁত যে সে সময়ের বন্য আইসি আইযি পূর্ণ এবং ভারী মুখমণ্ডল এবং তাদেরকে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে। অনেক উঁচু এই পাথরের দেয়াল শিল্পীদের হাতের ছাপ এবং প্রাচীন মানুষের একে অপরের হাত ধরে একত্রে নাচের চিত্রগুলো সেই সময় কোন অজানা সভ্যতা কে নির্দেশ করে। এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ান একটি টিম যাদের প্রধান জোশ এয়ারটে। তিনি মনে করেন যে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার এতটাই বড় যে এর গবেষণা সম্পন্ন করতেপ্রজন্ম পার হয়ে যাবে। Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়।

হোয়াইট চিন বার্ড। অ্যামাজন জঙ্গল


এই প্রজাতির পাখি অ্যামাজনের সবচাইতে দুর্লভ এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ পাখি গুলোর মধ্যে অন্যতম। যার শারীরিক এবং ব্যবহারিক উভয় দিক থেকেই অন্যান্য পাখি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। আপনারা জানলে অবাক হবেন এই প্রজাতির পাখি গাছের পাতা খেয়ে বেঁচে থাকে। এটার আকৃতি বড় হওয়ার কারণে এটাকে প্রচুর পরিমাণে গাছের পাতা খেতে হয়। আর তাই এই পাখিদের ডাইজেস্ট সিস্টেম গরুর মত হয়ে থাকে। তার শরীর থেকে নির্গত মল থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ায়। আর এই দুর্গন্ধের রেস এই পাখিটির শরীরে থেকে যায় । আর যেটা প্রায় অসহনীয় দুর্গন্ধ । খাবার পরিপাক হতে এই পাখিটি প্রায় 45 ঘন্টা পর্যন্ত সময় লাগে। আর তাই এ প্রজাতির পাখি খুব একটিভ দেখা যায়। কিন্তু এই পাখির শরীরের দুর্গন্ধ থাকার কারণে কোনো শিকারি প্রাণী এটাকে শিকার করে না। যতটা সম্ভব মানুষ এই পাখি থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করে। Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়।
দ্যা গ্লাস ফ্রগ অ্যামাজন জঙ্গল


আমাদের পৃথিবীতে যেসব বিভিন্ন অদ্ভুত প্রাণী দেখতে পাওয়া যায় গ্লাস ফ্রগ সেই অদ্ভুত প্রাণীর মধ্যে অন্যতম ।গ্লাস ফ্রক এর শরীর পুরোপুরিভাবে ট্রান্সপারেন্ট। বলা হয়ে থাকে বাইরে থেকেও গ্লাস ফ্রক এর শরীরের সব কিছু দেখতে পাওয়া যায়। এটা ঠিক পানির মত করে বিভিন্ন পাতা থেকে পিছলে পড়ে যায়। এটা এতটাই দ্রুত চলাচল করে যে যেগুলো সৌভাগ্যের বিষয় । এই প্রজাতির ব্যাঙ সেন্ট্রাল এবং সাউথ আফ্রিকার ঘন জঙ্গলে  সবথেকে বেশি দেখতে পাওয়া যায়।
Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়।

বিজ্ঞানীরা মনে করে থাকেন এই প্রজাতির ব্যাঙ এর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আর তা হল একপ্রকার বায়ো ইন্ডিকেটর যার কারণে কোন স্থানের আবহাওয়া সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা পাওয়া যায়। আবহাওয়া এবং জলবায়ুর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকের সংখ্যা কম বেশি হতে থাকে। এই প্রজাতির ব্যাঙ যে জঙ্গলে থাকতে পছন্দ করে সে জঙ্গলের তাপমাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পেতে থাকে। বৃষ্টির পরিমাণ কমে আসলে জঙ্গল শুকিয়ে যেতে থাকে এভাবেই পরিবেশ বিজ্ঞানীরা এই ব্যাংকের মাধ্যমে অনেক কিছু জানতে পারে।

আরো জানুনঃ মাসিক এর ব্যথা কমাতে কার্যকর টিপস।

প্লাস্টিক ইটিং মাশরুম। অ্যামাজন জঙ্গল


পৃথিবীর অনেক বড় একটি সমস্যা প্লাস্টিক। যে প্লাস্টিক আমাদের পৃথিবীকে প্রতিনিয়তও দূষিত করে চলেছে। তবে কি এই সমস্যার কোন সমাধান নেই । অ্যামাজন জঙ্গলে পাওয়া যায় এমন এক প্রকারের ছত্রাক যা সাধারণত প্লাস্টিক খেয়ে বেচে থাকে। এখানে ইয়েল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর এবং শিক্ষার্থীদের একটি গ্রুপ এই প্রজাতির ছত্রাক নিয়ে গবেষণা চালিয়ে ছিল এবং তারা দেখতে পায় এই প্রজাতির ছত্রাক প্লাস্টিক এবং পলিথিন খুব সহজেই শোষণ করে নিজে অর্গানিক ভাবে বড় হয়ে থাকে।
Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয়
আরো জানুনঃ শারীরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে কি খেলে। 

হ্যাঁ বন্ধুরা ঠিকই বলছি এই প্রজাতির মাশরুম প্লাস্টিক খেয়ে বেঁচে থাকার ক্ষমতা রাখে। এমনকি এগুলো অক্সিজেন ছাড়া বেঁচে থাকতে পারে। ভবিষ্যতে এই প্রজাতির ছত্রাক দিয়ে আমাদের পৃথিবী থেকে প্লাস্টিকের দরজা পর্যন্ত অপসারণ করা সম্ভব। যদিও এই প্রজাতির ছত্রাক প্লাস্টিক কে দূষণ করতে অনেক জটিল প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। কিন্তু তারপরও মানবসৃষ্ট সমস্ত প্লাস্টিক বর্জ্য পদার্থ শোষণ করতে পারবে কিনা তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের যথেষ্ট সংশয় রয়েছে । Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়।

দ্য বয়লিং রিভার। অ্যামাজন জঙ্গল


সায়েন্স এবং মিথ বয়েলিং রিভার কে সম্পূর্ণ আলাদা দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে। অ্যামাজনের রেইনফরেস্টে কয়েক শতাব্দী ধরে এই নদীটির  অবস্থান বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছিল না। তবে অ্যামাজনে বিভিন্ন উপজাতি কে এই নদী সম্পর্কে অনেক মিথ বলতে শোনা যেত। বিজ্ঞানীরা যখন ফাইনালি নদীর অস্তিত্ব খুঁজে পেল তখন তারা বিশ্বাস করতে বাধ্য হয়েছিল যে পৃথিবীর মধ্যে সর্ববৃহৎ থার্মার রিভার এটাই। আর এই নদীর পানি সবসময়  ফুটতে থাকে  Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়।
আরো জানুনঃ ছেলেরা মেয়েদের প্রতি আকৃষ্ট হয় কেন ।

এই নদীর অবস্থান সেন্ট্রাল অ্যামাজন পেরুর গভীর জঙ্গলে। এই নদীর কেন্দ্রবিন্দুতে যতই অগ্রসর হওয়া যায় ততই তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে। এমনকি এর কেন্দ্রবিন্দু তাপমাত্রা মাঝেমধ্যে 135 ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ছড়িয়ে যায় । এই নদীটির পাশে বেশ কয়েকটি থার্মাল ওয়াটার ফল রয়েছে । এগুলো নদীটিকে  বয়েলিং রিভার করে তুলেছে ।এটা দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি ভয়ঙ্কর। তবে যদি  কোনভাবে এই নদীটির মাঝখানে চলে আসেন তবে নিশ্চিতভাবে সিদ্ধ হয়ে যাবে । Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়।

ওয়াকিং ট্রিঅ্যামাজন জঙ্গল


আপনার কি কখনো কল্পনা করতে পারবেন যেটা একটা গাছ কিভাবে হাঁটতে পারে। আপনি কল্পনা করতে পারেন আর না পারে অ্যামাজনের এই প্রজাতির গাছ কিন্তু ঠিকই হাঁটতে পারে। আমরা অনেক হলিউড ছবিতে দেখেছি কিভাবে গাছ হাঁটে। কিন্তু বাস্তবে এটা এতো দ্রুত হাটেনা। এত আস্তে হাটে যে আমরা সেগুলো দেখতে পাবো না। এটার সামনের দিকে আগানোর  কৌশল একটু ভিন্ন রকম। এই প্রজাতির  প্লাম ট্রি প্রথমে সামনের দিকে শিকড় গজিয়ে তারপর পেছনের  শিকড় কে পেছন থেকে সামনের দিকে রিপ্লেস করে সামনের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। আর এভাবে অগ্রসর হতে তাদের বছরের পর বছর সময় লাগে। এভাবে অগ্রসর হতে তাদের বছরের পর বছর সময় লাগে । Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়।
আরো জানুনঃ ঠোঁটের কালো দাগ দূর করার উপায়।

অ্যামাজনও পিঙ্ক ডলফিন। অ্যামাজন জঙ্গল


ডলফিন সাধারণত অনেক রঙের হয় কিন্তু অ্যামাজনে থাকা ডলফিনগুলোর গায়ের রং গোলাপি কালারের হয়। অনেকে মনে করেন এদের গায়ের রঙ গোলাপী এটা একটা গুজব। কিন্তু অ্যামাজনে    গেলে গোলাপি রঙের ডলফিন খুব ভালোভাবে দেখতে পাওয়া যায়। এ প্রজাতির ডলফিন ফ্রেশ ওয়াটার এ থাকতে পছন্দ করে। এটার গায়ের রং গোলাপি হওয়ার কারণে বিজ্ঞানীদের মনে বেশ কিছু প্রশ্ন জাগে। অনেক গবেষণা করেও সব প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞানীরা খুঁজে পাননি। এগুলোর মধ্যে সবথেকে অদ্ভুত হল মোটো ডলফিন। গায়ের রং গোলাপি ডলফিন এর সংখ্যা প্রায় দশ হাজারেরও বেশি । সাউথ আমেরিকার কিছু কন্টিনেন্ট এ চল্লিশটির ও বেশি প্রজাতির ডলফিন দেখতে পাওয়া যায়। বৈজ্ঞানিক রিসার্চের কাজে ডলফিন শিকার করা হয় তাই ডলফিন এর সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। তবে এই ডলফিন এর কারণে নদীর পানি খুবই কম পরিমাণে দূষিত হয় ।
আরো জানুনঃ মেয়েদের তাড়াতাড়ি বিয়ে না হলে কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

সিল্ক হাইন স্পাইডার। অ্যামাজন জঙ্গল


এই প্রজাতির মাক্রোসা তাদের সিল্ক দিয়ে এক প্রকার টাওয়ার তৈরি করে থাকে। আর তাদের এই চিত্রকর্মে বিজ্ঞানীরা অবাক হয়ে যাই। আর তাদের এই চিত্রকর্ম হুবহু দেখতে স্টোনহেঞ্জের মত।আর এই স্টোনহেঞ্জের অবস্থান ইংল্যান্ডে । এই মাকড়সা গুলো তাদের সিল্ক দিয়ে স্টোনহেঞ্জের মত তৈরী করে। এটা এই মাদ্রাসার একটি স্পেশল ফিচার। পেরুতে এটাকে সিল্ক হেঞ্জ বলা হয়ে থাকে অ্যামাজনের প্রায় সব জায়গাতেই এ ধরনের সিল্ক টাওয়ার দেখতে পাওয়া যাইয়। Amazon জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়।

আরো জানুনঃ স্যাপিওসেক্সুয়াল রোমান্স কিভাবে দুনিয়া কাঁপাচ্ছে জানেন তো

বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটা মাকড়সার সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রজাতি। এই  প্রজাতির মাকড়সার ডিএনএ অন্যান্য স্বাভাবিক প্রজাতির মাকড়সার ডিএনএ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।সর্বপ্রথম এমন একটি ভিডিও ন্যাশনাল একজনের সামনে আসে।এতে দেখা যায় যে একটিমাত্র সরকার সিল্ক হেঞ্জ ভেঙে ফেলছে। এবং পরে রিচার্জ করে জানা যায় যে সিল্ক হেঞ্জ এর মধ্যে এই মাকড়সা গুলো তাদের ডিম পাড়ে।এবং ডিমের চারপাশে এরকম বেরার মত করে জাল বুনে দেয়।তারপরেও বিজ্ঞানীদের কাছে এই প্রজাতির মাকড়সার জীবনচক্র খুবই রহস্যজনক।