বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক? ইসলামী শরিয়ত মতে কিভাবে সুখী দাম্পত্য জীবন গড়ে তোলা যায়।


নিজেকে সিনেমা জগৎ থেকে দূরে নিয়ে যান। জীবনের মতো হলেও আসলে কিন্তু লার্জার দ্যান লাইফ।  আসলে কিন্তু জীবনটাই বড় সিনেমার থেকে। অন্তত বাসর রাতে সিনেমাকে অনুকরণ করবেন না।  বাসর রাত মানে যে শারীরিক জীবন শুরু এমনটা কিন্তু নয়। এই রাত্রি যেমন আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তেমনি স্পর্শ কাতর। নিজের স্ত্রীর কাছে নিজেকে আদর্শ পুরুষ হিসেবে কিন্তু প্রতিস্থাপন করার ভালো সুযোগ এটাই। মনের মাধুরী মিশিয়ে সেই রাতে স্ত্রীকে আপন করে নিন গায়ের জোরে নয়। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

বিয়ে নিয়ে প্রত্যেকটা নারী-পুরুষের মন যে অসম্ভব রকম বিচলিত হয়ে ওঠে এটা একদম সত্যি কথা। খারাপ ভালো সবকিছু মিলিয়ে নারী-পুরুষেরা বিয়ের সময় উত্তেজিত হয়ে পড়ে। তবে এসময় নব বর-বধূকে বেশি উত্তেজিত হওয়া ঠিক নয়।  কারণ তারা যদি উত্তেজনার বশে কোন ভুল পদক্ষেপ নিয়ে ফেলে তাহলে কিন্তু বিপদ তাদেরই হবে। আর এটার মধ্যে অন্যতম হলো বাসর রাত।

বাসর রাতে সহবাস করা কতটা দরকার বা আবশ্যক। তা নিয়ে নানাজনের নানা রকম মত রয়েছে। এদের মধ্যে একদল মনে করেন যে দাম্পত্য জীবন শুরু করতে হলে বাসর রাত নাকি সহবাসের জন্য একেবারে আদর্শ রাত। প্রথা মেনে চলতে গেলে কিন্তু অনেক সময় সম্পর্কের বাঁধন আলগা হয়ে যায়।  অন্যদিকে আমাদের আজকের আধুনিক সমাজের মতে বাসর রাত শুধু শারীরিক সম্পর্কের রাত নয়। বাসর রাত এমন একটি রাতে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বোঝাপড়া হওয়ার রাত। 

আরো জানুনঃ মাসিক এর ব্যথা কমাতে কার্যকর টিপস।

আর আপনি বাসর রাতে সহবাস করবেন কি করবেন না সেটা সম্পূর্ণ আপনার হাতে এবং আপনার স্ত্রীর হাতে। আপনার স্ত্রী যদি বাসর রাতে সহবাস করতে আগ্রহ প্রকাশ করে তাহলে আপনি এগিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু আপনার স্ত্রী যদি সামান্য ইতস্তত বোধ করেন তাহলে স্ত্রীর সঙ্গে আগে বন্ধুত্ব করুন। আপনার স্ত্রী কি পছন্দ করে বা আপনার স্ত্রী কেমন সেগুলো জানার চেষ্টা করুন। স্ত্রী যাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে সে দিকটাতে নজর রাখতে হবে। কারণ বেশিরভাগ মেয়েরাই বাসর রাতে অনেকটা লজ্জা পায়। এমনটা যদি হয় তাহলে নিজের ব্যবহার সম্পর্কে আগে সচেতন হোন।  অহেতুক সঙ্গে রাগ করবেন না বরং সুন্দর মিষ্টি ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার স্ত্রীর মন জয় করার চেষ্টা করুন। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক


কিভাবে সুখী দাম্পত্য জীবন গড়ে তোলা যায়। 

আমাদের আজকালকার আধুনিক সমাজের দাম্পত্য কলহ, পরিবার ভাঙ্গন, নির্যাতনসহ নানা ধরনের জটিল সমস্যা রয়েছে। আর এই সমস্যাগুলো দিন দিন শুধু জটিল হয়ে যাচ্ছে। কারণ আধুনিক যুগে মানুষ গুলো বেশিরভাগ এই যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছে এবং মানুষের মধ্যে সহানুভূতি, ভালোবাসা, বন্ধন, আদর এগুলো সব কিছুই কমে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা যদি মাত্র কয়েকটি পদ্ধতি অবলম্বন করি বা অনুসরণ করি তাহলেই আমরা খুব সহজেই সুখী হতে পারব। কারন মনোবিজ্ঞানীদের মতে আমাদের দেহের শতকরা 70 থেকে 80 ভাগ রোগী কিন্তু হয়ে থাকে মনের জন্য। আর আমাদের এই মন খারাপ থাকবে কি ভালো থাকবে এটা নির্ভর করে দুইটা বিষয়ের উপরে একটা হল সংসার জীবন আরেকটা হচ্ছে পারিবারিক জীবন।  আজকে আমি আমার এই পোষ্টে আপনাদেরকে জানাবো যে কিভাবে সংসার জীবনে সুখী হওয়া যায় বা সুখী দাম্পত্য জীবন কিভাবে গড়ে তোলা যায়। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

আরো জানুনঃ ছেলেরা মেয়েদের প্রতি আকৃষ্ট হয় কেন ।

বিশ্বস্থতা। বাসর রাতে শারীরিক মিলন 

আপনি যদি সংসার জীবন সুখী করতে চান বা সুখী দাম্পত্য জীবন পেতে চান তাহলে এর পূর্ব শর্ত বা প্রথম শর্ত হলো বিশ্বস্থতা। আপনার সংসারে যদি কোনো বিশ্বাস না থাকে তাহলে আপনার সংসার টিকবে না।  আপনি আপনার স্বামীর সঙ্গে বছরের পর বছর একই ছাদের নিচে বাস করলেও দেখা যাবে যে আপনার সংসারে বিশ্বাসের অভাব রয়েছে। শুধুমাত্র ছেলে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে এই  করে যায়। আপনি যদি সুখি দাম্পত্য জীবন তাহলে আপনাদের স্বামী-স্ত্রী দুজনের মধ্যে বাড়াতে হবে  উপড়ে ফেলতে হবে তাছাড়াও আপনি আপনার অবিশ্বাসের বিষয়টি দুইজন এক জায়গায় বসে আলোচনার মাধ্যমে নিবারন করতে পারে। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

আরো জানুনঃ শারীরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করার খাদ্য।

বয়স। বাসর রাতে শারীরিক মিলন 

আমাদের সমাজে স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য অনেক বেশি দেখা যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে বয়স বেশি হয়ে যায় আবার কারো কারো ক্ষেত্রে বয়স কম হয়ে যায়।  আমাদের দেশে সাধারণত স্ত্রীদের থেকে স্বামীর বয়স বেশি হয়ে থাকে।  আর এ কারণেই স্ত্রীদের আচরণে অনেকটা ছেলেমানুষি দেখা যায়। এবং স্ত্রীদের এই ছেলেমানুষি গুলো স্বামীকে বুঝতে হবে এবং তার যে পজিটিভ ছেলেমানুষি গুলো থাকে সে গুলোকে মেনে নিতে হবে।  এবং যে নেগেটিভ ছেলেমানুষি গুলো থাকে সেগুলো কে সুন্দর করে তাকে বুঝিয়ে সংশোধন করে নিতে হবে। আর অন্যদিকে আমাদের সমাজে  স্বামীর বয়সটা একটু বেশি থাকে তাই সব সময় একটু বেশি সিরিয়াস মুডে থাকে।  এটা ওনাদের স্ত্রী যারা আছে তাদেরকে বুঝতে হবে এবং তাদের সামনে ছেলেমানুষি আচরণ যতটা সম্ভব করতে হবে। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

স্বাধীনতা। বাসর রাতে শারীরিক মিলন 


স্বাধীনতা  প্রত্যেক মানুষের একটা মৌলিক অধিকার। কোন মানুষের যদি স্বাধীনতা খর্ব করা হয় যে মানুষ করে তার প্রতি বিতৃষ্ণা এবং আচরনে অসঙ্গতি দেখা দেয়। মানুষ তার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ হারিয়ে ফেলে এবং স্বাধীনতা লাভের জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে। মানুষ স্বাধীনতা পাওয়ার জন্য প্রয়োজনে কোনো খারাপ কাজ করতেও দ্বিধাবোধ করে না। আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে কিছু ভ্রান্ত ধারণা আছে আর এই ভ্রান্ত ধারণার মধ্যে স্বাধীনতা হল একটি। অনেকে মনে করেন যে কোন মানুষ যদি বেশি স্বাধীনতা পায় তাহলে সে নাকি বিপথে পরিচালিত হয়।  কিন্তু এ ধারণা সম্পূর্ণ সত্য নয়। কোন মানুষ যদি স্বাধীনতা পায় তাহলে সে মানুষ মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ওঠে। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

মূল্যায়ন। বাসর রাতে শারীরিক মিলন 

সংসার করতে গেলে নিজের তুলনায় অন্যকে বেশি প্রাধান্য দিতে হয় অর্থাৎ সংসার জীবনের সব সময় নিজেকে যতটা সম্ভব কম তুলে ধরা যায় সে স্ত্রী হোক বা স্বামী হোক। প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এই সংসার জীবনে মূল্যায়নের আশাবাদী। আমি আমার জীবনের এক বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি যে আমার এক নিকটাত্মীয়ের স্ত্রীর সাথে তার সবসময় ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকত। এবং সেই মানুষটি কে তার স্ত্রীর সামনে থাকলে শ্রদ্ধা করত এবং পিছনে গিয়ে তার নিন্দা এবং সমালোচনা। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

আরো জানুনঃ সাদা স্রাব দূর করার উপায়।

বিষয়টা আমি খতিয়ে বের করলাম দেখলাম যে স্বামী স্ত্রীর কাছ থেকে বেশি সম্মান আশা করে এবং সমাজে তার অবস্থান টা সবসময় তুলে ধরতো। এবং সবসময় বেশি বেশি করে বলতো আমি এই আমি সেই আমি অমুক অমুক। আপনাদের সবার যদি এ ধরনের মনমানসিকতা থেকে থাকে তাহলে আপনি সংসার জীবনে কখনো সুখী হতে পারবেন না। সবার আগে আপনাকে এই মন মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে।  আমরা সব সময় একটা বিষয় মনে রাখতে হবে যে একজন রাজা ও তার স্ত্রীর কাছে একজন সাধারন স্বামী।

দূরত্ব। বাসর রাতে শারীরিক মিলন 

সংসার করতে গেলে মাঝে মাঝে দুজনের মধ্যে থাকবে একটু ফাঁক ফোকর। এর মানে এই যে আপনাদের মধ্যে বিষন্নতা নেমে আসবে তা কিন্তু নয়।  দূরত্ব হলো একটুখানি সময় শ্বাস ফেলার জন্য। দূরত্ব মানে হল যে সে যা করতে পারছে না তা থেকে তাকে কিছু দিনের জন্য বিরতি দেওয়া। থাকুক না বাবা প্রত্যেকের সংসারে এই একটুখানি দূরত্ব। সংসার করতে গেলে সবাইকে এতোটুকুন ছাড় দিতেই হয়।  কারণ সংসার মানে সংসার এই এটা কোন মিলিটারি ক্যাম্প এর রোল নয়। সংসার মানে হল শ্রদ্ধাবোধ, সম্প্রীতি এবং ভালোবাসার একটি মেলবন্ধন। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

সব সময় যে সংসারে আপনাকে সবকিছু সত্যি বলতে হবে তা কিন্তু নয়।  কিছু কিছু সময় সত্য বলা থেকে বিরত থাকুন। অনেকেই আবার দেখি যে বাংলা ছবির ডায়লগ গুলো বলতে থাকে অনেকেই বলে যে সত্য কথা তা্কে না বললে আমি নিজেকে ক্ষমা করতে পারবোনা।  কিন্তু কোন স্বামী বা স্ত্রী যদি তাদের পরস্পরের মধ্যে এই সত্য কথার বিনিময় করে তাহলে সেই স্বামী বা স্ত্রী খুব কম সময়ের জন্য সত্যটাকে মেনে নিবে। এবং পরবর্তী সময়ে এটা সত্যবাদীর জন্য অনেক বড় দুর্বলতার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।  এজন্যই স্বামী বা স্ত্রীকে এমন কথা বলা উচিত নয় যেন ভবিষ্যতে তার অস্ত্র হিসেবে কাজ করে। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।


শ্রদ্ধাবোধ এবং ক্ষমা করার মানসিকতা 

সংসার জীবনে স্বামী-স্ত্রীর দুজনকে কখনোই খুব বেশি কঠোর হওয়া উচিত নয়।  দুজনের মধ্যে ক্ষমা করার মানসিকতা থাকতে হবে এবং একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।  শ্রদ্ধাশীল সংসার জীবনকে মজবুত করে। তেমনি কেউ যদি কারোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয় তাহলে তার মানসিকতা থাকবে প্রফুল্ল এবং স্বামী-স্ত্রী দুজন দুজনের প্রতি সমানভাবে দায়িত্ব পালন করবে। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

 

আরো জানুনঃ মিডিয়া জগতে এ বছর যাদের সংসার ভেঙে গেছে

মুসলিম সমাজে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত।

জীবনের স্রোতধারায় অনিবার্য সাথী হল মানব জাতি। সৃষ্টির আদি মানব আদমের যুগ থেকেই এই নর এবং নারী জীবনধারাকে প্রবাহমান করে তুলেছে। যুগ যুগান্তের ধারাবাহিক উত্তরাধিকার হল বর্তমান বিশ্বের 610 কোটি মানুষ। মানুষের সম্পর্কে সব সময় একটি বক্তব্য শোনা যায় সেটা হল মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব এবং মানুষ বিচারবুদ্ধি সম্পন্ন প্রাণী। আর এই বিচারবুদ্ধির কারণেই মানুষকে অন্যান্য প্রাণী থেকে আলাদা করে তুলেছে। 

বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

মানুষকে আল্লাহতালা বুদ্ধিমত্তা দিয়ে গড়ে তুলেছেন একটি সুস্থ সামাজিক ও পারিবারিক জীবন গড়ে তোলার জন্য।  আর এই পরিবার গঠনের অনুপ্রেরণা জোগানোর জন্য আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে পৃথিবীতে অনেক রাসূল পাঠিয়েছেন। মানব সভ্যতা আলো পেয়েছে সুশৃংখল এই পারিবারিক কাঠামো থেকেই। পারিবারিক কাঠামোর সাথে সভ্যতা এক নিত্যসঙ্গী। যেখানে পারিবারিক কাঠামো নেই সেখানে সভ্যতা ও নেই। আর যেখানে সভ্যতা নেই সেখানে মানুষ পশুর সমান।  নারী এবং পুরুষ দুজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই একটি পরিবার গড়ে ওঠে। 

আরো জানুনঃ নোরা ফাতেহি বলিউডের সেরা আবিষ্কার

ছোট্ট একটি কথা সম্মিলিত আর এই ছোট্ট কথা সম্মিলিত মধ্যেই রয়েছে নারী পুরুষের পারস্পরিক অবদান এবং অধিকারের বিষয়গুলো।  নারী এবং পুরুষের অধিকার এবং পারস্পরিক সম্পর্কের ব্যাপারে সেই প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই বিভিন্ন ধর্ম এবং আদর্শগত মতবাদ বা দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ হয়েছে।  ইসলাম ধর্ম যেটা নারীদেরকে সর্বোচ্চ সম্মান দান করেছে এবং ইসলাম ব্যতীত অন্য সকল ধর্মই নারীকে পুরুষ দেবতার সেবাদাসী অথবা ভোগপণ্যে পরিণত করেছে। আজকের আমাদের এই সভ্যতার যুগে ও নারী পুরুষের পারস্পরিক সম্পর্ক অধিকার নিয়ে এখনও চলছে মতামত। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

ইসলাম স্বামী স্ত্রীর সুদীর্ঘ বন্ধন এবং পারস্পরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। ইসলাম আসার আগে মেয়েদেরকে মানুষই মনে করা হতো না।  গ্রিকরা মেয়েদেরকে মনে করত শয়তানের চর এবং শুধুমাত্র মেয়েরা জৈবিক চাহিদা মেটানোর জন্য ব্যবহার হয়ে থাকত। রোমানদের অবস্থাও ছিল একই রকম সেখানে যদি কোন কন্যা সন্তান হতো তাহলে তাকে বিক্রি করে ফেলা হতো। আইয়ামে জাহেলিয়া যুগে আরবের কন্যা সন্তানদের জ্যান্ত পুঁতে ফেলার ইতিহাস আমরা সবাই জানি। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক

আরো জানুনঃ (Amazon) অ্যামাজন জঙ্গল কে সারা পৃথিবী যে কারণে ভয় পায়।

পারস্য সভ্যতাও কন্যা সন্তানকে অকল্যাণ বলে মনে করা হতো আর। সবথেকে ভয়াবহ অবস্থা ছিল চিনে।  চীনে যদি কোন কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহণ করতো তাহলে সেই কন্যা সন্তানকে আত্মীয়স্বজন এবং পাড়া-প্রতিবেশীরা সহানুভূতি এবং দুঃখ জানোতো কারণ তিনি কন্যা সন্তান ছিল শুধুমাত্র একটা ভোগ্যপণ্য।  চীনে কোন সন্তান হলে তাদের কোনো ব্যক্তিগত মানবিক সত্তা স্বীকার করা হতো না। হিন্দু ধর্মের কথা আর কি বলব।  

বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

হিন্দু ধর্মের অনুসারীরা মৃত ব্যক্তির সাথে তাদের স্ত্রীকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরে ফেলত। আর তারা এটাকে স্বামীর প্রতি স্ত্রীর নিদর্শন এবং ভালোবাসা বলে মনে করত। সবথেকে আশ্চর্য বিষয় হলো বিধবাদের সম্পত্তির অধিকার না দিয়ে চিতার আগুনে পোড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিল। আর এভাবেই সারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বিচিত্র বিচিত্র সব উপরের নারীদেরকে লাঞ্চিত এবং বঞ্চিত করা হয়েছিল।  শুধুমাত্র ইসলাম ধর্মে নারীকে সম্মানের সর্বোচ্চ শিখরে নিয়ে গেছে এবং নারীদের মৌলিক অধিকারগুলো আদায় কর ব্যবস্থা করেছে।  

আরো জানুনঃ স্মৃতিশক্তি বাড়ায় কোন খাবার।

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ মুসলমানদের উদ্দেশ্য বলেছেন যে হে মুসলমানেরা তোমাদের ওপর যেমন তোমাদের স্ত্রীদের অধিকার রয়েছে তেমনি তোমাদের স্ত্রীদের উপরেও তোমাদের অধিকার রয়েছে।  আল্লাহ পাক বলেন যে নারীরা তাদের পোশাক এবং পুরুষরা নারীদের পোশাক।  যুগান্তকারী এইসব ঘোষণার মাধ্যমে নারীরা ফিরে পেয়েছিল তাদের অধিকার। ফিরে পেয়েছিল মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার অস্তিত্ব।   আর আমরা যদি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের ভাষায় দেখি তাহলে তিনি বলেছিলেন যে পৃথিবীর যা কিছু সুন্দর চির কল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে v মিলন করা কি ঠিক।

পরিবারে সুখ ও শান্তি নিশ্চিত করার প্রধান উপায় হ'ল স্ত্রীর সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করা। তবে অনেক ক্ষেত্রেই এই বন্ধনটি বিকাশ করছে না। আমি এই পর্বে আরও কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।ছেলেটি শেষ পর্যন্ত নরকে গেল। কিছুই ঘটছে নাহ. খালি খেলখুলা। কোথায় থাকবে! যা আবার স্কুল, এর আবার মাস্টার। তিনি ছাগলকে ঘাস খাওয়ান এবং ছেলেদের নামতা পড়ান। ছাগলরাও, যখনই খালি পেট দেখি, যেন এদেশে কোনও ঘাস নেই। ঘাস বা কোথাও থাকতে হবে। এখন এত ফাঁকা জায়গা আছে যে ঘাস বাড়বে। সর্বত্র ঘর বাড়ছে এবং উঠছে। উঠবে না কী! যেভাবে পোলাপানের জন্ম! এক অদ্ভুত দেশ! জায়গাগুলির চেয়ে বেশি লোক রয়েছে, এতো সুনামি থাকলেও অভাব নেই। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

অভিযোগগুলি পড়ার পরে, লোকটি বাড়িতে এসে স্ত্রীকে বলতে শুরু করে, তুমি কি তোমার ছেলেমেয়েদের কোন খবর রাখো। খবর রাখবেই বা কিভাবে তোমার তো আর সংসারের কোনো চিন্তা ভাবনা নাই। সংসারে যত চিন্তা শুধু আমার একার তোমার তো খালি বাপের বাড়ি যাওয়ার চিন্তা। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

আরো জানুনঃ মাসিক অনিয়মিত হওয়ার কারণ এবং করণীয়।

পৃথিবীতে সত্যই খুব কম লোক আছেন যারা নিজের অবস্থাতে পুরোপুরি খুশি। তবুও একজনের মালিকানা পাওয়া এখনও সাধারণ ব্যক্তির নাগালের বাইরে। অন্যদিকে, এমন কিছু লোক আছেন যারা এমন দুর্বল মনের অধিকারী যে তারা তাদের দুঃখ বা সমস্যাগুলি আড়াল করতে পারেন না। তিনি কাউকে পেলে অভিযোগ শুরু করেন। এই জাতীয় লোকেরা বিশ্বের সমস্ত কিছু সম্পর্কে অভিযোগ করতে অভ্যস্ত হয়ে যায়। তাদের অভিযোগ থেকে কেউ রেহাই পান না। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

বন্ধু খুঁজে পাওয়ার সাথে সাথে অভিযোগ অনুশীলন শুরু হয়।তারা ধীরে ধীরে নিঃস্ব হয়ে যায়। কিন্তু পরিবার ও শিশুরা অন্ধভাবে অভিযোগকারীর কথা শুনতে বাধ্য হয়েছিল। তাদের কোন বিকল্প নেই। হাতা এতটা অসহনীয় এবং বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। বিপজ্জনক বিষয়টি তারা পরিবারের বিবরণ সম্পর্কেও অভিযোগ করে ওঠে। পরিবারের সবাই তাই আতঙ্কে ভুগছেন। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

যদি অভিযোগটি একচেটিয়া হয় তবে সম্ভবত কোনও সমস্যা নেই। অন্যদিকে যখন প্রতিবাদ আসে, তখন দুর্যোগ হয়। এই বিপর্যয় পরিবারেও বিপর্যয় ডেকে আনে। তবে অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকা ইসলাম ভাল বলে বিবেচনা করে। যখন কেউ বিপদে পড়ে যায় তখন অন্যের কাছে অভিযোগ না করেই সমস্ত সমস্যার সমাধানের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা উচিত। কারণ আল্লাহ সব কিছুর সমাধানের মালিক।

আরো জানুনঃ কোন ফলের খোসা ত্বককে উজ্জ্বল ফর্সা করে

মনে রাখবেন, আপনার স্ত্রী বাইরে থেকে বিভিন্ন সমস্যা বা অভিযোগ সম্পর্কে আপনার কাছ থেকে শুনতে চান না, তিনি অন্য কিছু আশা করেন। তার আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে এই খারাপ প্রবণতা থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করুন। ঘরে ফিরে, বাইরের বিশ্বের সমস্ত সমস্যার কথা ভুলে যান। আপনার পরিবারের সাথে সুখে সময় কাটানোর চেষ্টা করুন। হাসি এবং আনন্দের সাথে সময়টি পূরণ করুন। একে অপরের ঘনিষ্ঠতা উপভোগ করার চেষ্টা করুন। একসাথে খেতে বসুন, হাসবেন। আপনার স্ত্রীর রান্নার প্রশংসা করুন। বাচ্চাদের সময় দিন। তবেই সোনার বাসা তৈরি হবে। বাসর রাতে বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক

কিছু লোকের খিটখিটে মেজাজ থাকে। তারা ঠিক ত্রুটি খুঁজে। এবং কিছু পেলে সে ঝগড়া শুরু করে। মৌখিকভাবে ঝগড়া করা তাদের খারাপ অভ্যাস। তারা তুচ্ছ বিষয়গুলিতে এতটাই অতিরঞ্জিত করে যে পরিবারে সর্বদা ঝগড়া হয়। কোনও স্ত্রী এ জাতীয় পিক স্বামী পছন্দ করেন না। তাই অনেক পরিবার ভেঙে যায়।

বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।


উদাহরণস্বরূপ, সাধারণত স্ত্রীরা ঘর পরিষ্কার রাখে। তবে অনেক সময় কাজের চাপ কিছুটা দেরি হতে পারে। তবে দায়িত্ব একা স্ত্রীর নয়। এমনকি স্বামীও। তবে স্বামী যদি তা না ভাবেন এবং বলতে থাকেন - আমি দেখি টেবিলটি নোংরা, কেন? এই ঘরে কেউ নেই? আহ! আমি কতবার বলেছি যে অ্যাশট্রে কখনও মেঝেতে থাকবে না, কার কথা কে শোনেন ইত্যাদি বাসর রাতে শারীরিকমিলন করা কি ঠিক।

আরো জানুনঃ প্রেমের কাছে বয়স শুধু একটি সংখ্যা

এটি সত্য যে পরিবারে কাজ করার সময় ছোট ছোট ভুলগুলি করা যেতে পারে। আপনার দাবিটিকে সহজেই অস্বীকার করতে পারে এমন ভুল ব্যর্থ হ'ল। এখন, আমরা যদি ভুল করি তবে আমাদের একে অপরকে দোষ দেওয়া উচিত নয়, তবে আমাদের আলোচনা এবং সহানুভূতির মাধ্যমে ভুলটি সংশোধন করা উচিত। আলোচনার মায়াময় উপায় এড়িয়ে যদি স্বতন্ত্রভাবে তাকে দোষ দিতে থাকে তবে স্ত্রীকে অবশ্যই তার স্বামীর প্রতি উদাসীন হতে হবে। যার পরিণতি তাদের কারওর পক্ষে বা তাদের সন্তানের পক্ষে মঙ্গলজনক হবে না।

বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

পুরো পরিবার সংগঠনটি বরং ভেঙে যায়। এ জাতীয় পরিস্থিতি এড়ানোর একমাত্র উপায় হ'ল রাসূলের হেদায়েতের প্রতি মনোযোগ দেওয়া। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আমি তোমাদের মধ্যে যারা শ্রবণ করে বিশ্বাস করে তাদেরকে বলি, কিন্তু যাদের অন্তর এখনও আন্তরিক বিশ্বাসে পূর্ণ নয়, তারা কোন মুসলমানের সম্পর্কে খারাপ কথা বলে না। কারণ আল্লাহ তাদের সমালোচনা করেন যারা অন্যের সাথে দোষ খুঁজে পান। এবং এই জাতীয় ব্যক্তি, এমনকি যদি তিনি তার নিজের বাড়িতে থাকেন, তবুও তাকে অসম্মানিত করা হবে। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক। বাসর রাতে শারীরিক মিলন করা কি ঠিক।

আমাদের শেষ কথা

প্রিয় দর্শক আমাদের প্রত্যেকেরই ইসলামী শরিয়া মতে আমাদের দাম্পত্য জীবন চালানো উচিত। আমরা যদি ইসলামের শরিয়া মতে আমাদের দাম্পত্য জীবন পরিচালনা করি তাহলে আমাদের সংসারে সুখ শান্তি আসবে এবং এটা দেখে আল্লাহতালা অনেক বেশি খুশি হবে। তাহলে চলুন আমরা প্রত্যেকে ইসলামী শরীয়ত মতে আমাদের জীবন যাপন করি সংসারে সুখ শান্তি নিয়ে আসি এবং আল্লাহ তায়ালা কে খুশি করি।

0/Post a Comment/Comments